ফেনী    শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
দৈনিক ফেনী
সর্বশেষ
ফেনীর নুসরাত জাহান হত্যা মামলায় ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানি অব্যাহত

ফেনীর নুসরাত জাহান হত্যা মামলায় ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানি অব্যাহত

ফেনীর সোনাগাজীর আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান (রাফি) হত্যা মামলায় আসামিদের ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন), আপিল ও জেল আপিলের ওপর শুনানিতে পেপারবুক (মামলার বৃত্তান্ত) থেকে উপস্থাপন অব্যাহত রয়েছে।বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ বৃহস্পতিবার তৃতীয় দিনের মতো শুনানি গ্রহণ করেন। আগামী রোববার শুনানির পরবর্তী দিন রয়েছে।এর আগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনসংক্রান্ত ডেথ রেফারেন্স, আপিল ও বিবিধ বিষয়াদি হাইকোর্টে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনতে গত ১০ জুন হাইকোর্টের সুনির্দিষ্ট ওই বেঞ্চ গঠন করে দেন প্রধান বিচারপতি। গঠিত দ্বৈত বেঞ্চটি ১৪ জুন কার্যক্রম শুরু করে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গঠিত বেঞ্চে চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলার শুনানি মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) শুরু হয়।আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সৈয়দ ইজাজ কবির ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আশরাফুল আলম, মোছা. রোহানী সিদ্দীকা ও মাহবুবা তাসনিম আঁখি শুনানিতে অংশ নেন।পরে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সৈয়দ ইজাজ কবির প্রথম আলোকে বলেন, পেপারবুক থেকে রাষ্ট্রপক্ষের উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে মঙ্গলবার শুনানি শুরু হয়। শুনানিতে পেপারবুক থেকে রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষ্য উপস্থাপন চলছে। এ মামলায় ৮৭ সাক্ষীর মধ্যে এখন পর্যন্ত ৩৪ জনের সাক্ষ্য উপস্থাপন ও পর্যালোচনা তুলে ধরা হয়েছে। রোববার শুনানি হবে।নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। অগ্নিসন্ত্রাসের এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।এ মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দেন। রায়ে বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। ডেথ রেফারেন্সের জন্য নুসরাত হত্যা মামলার রায়সহ নথিপত্র ২০১৯ সালের ২৯ অক্টোবর হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এসে পৌঁছায়, যা ১৪০/১৯ ডেথ রেফারেন্স হিসেবে নম্বরভুক্ত হয়। চাঞ্চল্যকর মামলা হিসেবে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ডেথ রেফারেন্সের জন্য পেপারবুক তৈরি করা হয়। আসামিরাও পৃথক আপিল ও জেল আপিল করেন। এসবের ওপর অগ্রাধিকার বেঞ্চে তৃতীয় দিনের মতো শুনানি হলো।সূত্র: প্রথম আলো
৩০ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪৩ পিএম

ফেনীর নুসরাত জাহান হত্যা মামলায় ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানি অব্যাহত

ফেনীর নুসরাত জাহান হত্যা মামলায় ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানি অব্যাহত

শিহাব হত্যা মামলায় অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন সৈয়দ কারাগারে

শিহাব হত্যা মামলায় অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন সৈয়দ কারাগারে

ছাগলনাইয়ায় যুবলীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা মামলায় প্রধান আসামি ঢাকায় গ্রেপ্তার

ছাগলনাইয়ায় যুবলীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা মামলায় প্রধান আসামি ঢাকায় গ্রেপ্তার

শেষ হয়নি খাল পুনর্খনন, ৮ কোটি টাকা ফেরত

শেষ হয়নি খাল পুনর্খনন, ৮ কোটি টাকা ফেরত

ডাঙ্গি খালের প্রাক্কলন ব্যয়ে ‘মনগড়া তথ্য’, ৫৮.৮৫ শতাংশ বাস্তবায়নেই শেষ হলো কাজ!

ডাঙ্গি খালের প্রাক্কলন ব্যয়ে ‘মনগড়া তথ্য’, ৫৮.৮৫ শতাংশ বাস্তবায়নেই শেষ হলো কাজ!

হবিগঞ্জে এনসিপি নেতাকর্মীদের গাড়িবহরে হামলার প্রতিবাদে ফেনীতে বিক্ষোভ

হবিগঞ্জে এনসিপি নেতাকর্মীদের গাড়িবহরে হামলার প্রতিবাদে ফেনীতে বিক্ষোভ

বড় বাজারে অভিযান চালিয়ে ৩৩০ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ

বড় বাজারে অভিযান চালিয়ে ৩৩০ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ

‘হামলার বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা হবিগঞ্জে আছি, যদি পারে মেরে ফেলবে’

‘হামলার বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা হবিগঞ্জে আছি, যদি পারে মেরে ফেলবে’

টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক, ব্যবস্থা নিচ্ছে বিএসটিআই

টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক, ব্যবস্থা নিচ্ছে বিএসটিআই

হবিগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা, সারজিসসহ আহত অনেকে

হবিগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা, সারজিসসহ আহত অনেকে



ডাঙ্গি খালের প্রাক্কলন ব্যয়ে ‘মনগড়া তথ্য’, ৫৮.৮৫ শতাংশ বাস্তবায়নেই শেষ হলো কাজ!

সোনাগাজীর ডাঙ্গি খাল পুনর্খনন প্রকল্পে প্রাক্কলন, বাস্তবায়নের অগ্রগতি এবং সরকারি অর্থ ব্যয়ের হিসাব নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, প্রকল্পে পাঁচ কিলোমিটার খননকাজ সম্পন্ন হয়েছে, যা প্রাক্কলিত কাজের ৫৮ দশমিক ৮৫ শতাংশ। এ কাজে ব্যয় হয়েছে ৭৬ লাখ ৩০ হাজার ৬২১ টাকা। অথচ প্রকল্পের জন্য নির্ধারিত প্রাক্কলিত ব্যয় ছিল ৫ কোটি ৬৬ লাখ ৫০ হাজার ৯৪৫ টাকা। কাজ শেষে অব্যয়িত ৪ কোটি ৯০ লাখ ২০ হাজার ৩২৪ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে, যা মোট প্রাক্কলিত অর্থের প্রায় ৮৬ দশমিক ৫৩ শতাংশ।প্রকল্পটি নিয়ে এর আগেও ধারাবাহিকভাবে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে দৈনিক ফেনী। গত ১১ জুন প্রকাশিত হয় “সোনাগাজীতে খাল খনন কার্যক্রম নিয়ে ধোঁয়াশা: ডাঙ্গি খাল খননে কিলোমিটার প্রতি বরাদ্দ সোয়া কোটি টাকা!” শীর্ষক প্রতিবেদন। পরে ১৮ জুন “একাধিক প্রশ্ন রেখেই চলছে সোনাগাজী ডাঙ্গি খাল খনন” শিরোনামে আরেকটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই দুই প্রতিবেদনে প্রকল্পের প্রাক্কলন, খালের দৈর্ঘ্য, বাস্তবায়ন কমিটি গঠন এবং দাপ্তরিক নথিপত্র নিয়ে একাধিক অসঙ্গতির বিষয় উঠে আসে।তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিগ্যান চাকমা সে সময় বলেন, গুগল ম্যাপ ব্যবহার করে খালের দৈর্ঘ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। তাঁর ভাষ্য ছিল, পূর্বে ২২ কিলোমিটার খালের জন্য যে বরাদ্দ নির্ধারণ করা হয়েছিল, সংশোধিত প্রকল্পে খালের দৈর্ঘ্য কমলেও একই বরাদ্দ রেখে প্রাক্কলন প্রস্তুত করা হয় এবং সেই অনুযায়ী হিসাব সমন্বয় করা হয়। বর্তমান বাস্তবায়ন শেষে জেলা প্রশাসনের প্রকাশিত তথ্যের সঙ্গে ওই বক্তব্য মিলিয়ে দেখলে প্রাক্কলন প্রণয়নের পদ্ধতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।এদিকে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. এনামুল হকের বক্তব্যেও ভিন্নতা দেখা যায়। প্রথম প্রতিবেদনের সময় তিনি বলেছিলেন, সংশোধিত প্রকল্পেও প্রাক্কলনে উল্লেখিত অর্থই ব্যয় হবে। পরে একই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রকল্প নির্দেশিকা অনুযায়ী সমপরিমাণ বরাদ্দ দেখিয়েই প্রাক্কলন প্রস্তুত করার নির্দেশনা রয়েছে।বিষয়টি জানতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ করা হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রকল্পের ধরন বা পরিমাণ পরিবর্তন হলে সেই অনুযায়ী বরাদ্দের প্রস্তাবও সংশোধন করে পাঠাতে হয়।জেলা প্রশাসনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, প্রকল্পটির কাজ ৫৮ দশমিক ৮৫ শতাংশ বাস্তবায়নের পর সমাপ্ত দেখানো হয়েছে এবং অব্যয়িত অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। তবে প্রাক্কলনে উল্লেখিত দৈর্ঘ্যের অবশিষ্ট অংশের কাজ কীভাবে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা মেলেনি।এ বিষয়ে জানতে চাইলে সোনাগাজী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. এনামুল হক তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তিনি বলেন, রাতে এ বিষয়ে কথা বলা সম্ভব নয়। দিনের বেলা অফিসে এলে প্রয়োজনীয় তথ্য দেওয়া হবে।নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, তাঁদের দপ্তরের প্রাক্কলনে খালের দৈর্ঘ্য ছিল প্রায় সাড়ে আট কিলোমিটার। কিন্তু বাস্তবে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার খননের মধ্যেই প্রকল্পের কাজ শেষ হয়েছে। অবশিষ্ট অংশের বিষয়ে তিনি কোনো তথ্য জানাতে পারেননি।এদিকে প্রকল্প নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পর গত ১৩ জুন জেলা প্রশাসক মনিরা হক জেলার পাঁচ উপজেলায় প্রাক্কলন যাচাই কমিটি গঠন করেন। সোনাগাজী উপজেলা কমিটির সদস্যসচিব ও উপজেলা প্রকৌশলী জয় সেন বলেন, তাঁরা দায়িত্ব পাওয়ার আগেই প্রকল্পের বড় অংশের কাজ শেষ হয়ে গিয়েছিল। ফলে শুরু থেকে প্রাক্কলনের যথার্থতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এজন্য কাজ শেষে পোস্ট-ওয়ার্ক সার্ভে করার সুপারিশ করে জেলা প্রশাসকের কাছে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে।অন্যদিকে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি আকলিমা খাতুন বলেন, প্রকল্পের বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া সম্পর্কে তাঁর বিস্তারিত জানা নেই। তিনি দাবি করেন, কাগজে-কলমে সভাপতি থাকলেও বাস্তবে কাজ পরিচালনা করেছেন অন্যরা।

ডাঙ্গি খালের প্রাক্কলন ব্যয়ে ‘মনগড়া তথ্য’, ৫৮.৮৫ শতাংশ বাস্তবায়নেই শেষ হলো কাজ!
১৭ মে ২০২৬, ০৪:৩০ পিএম
অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলে কর আরোপের পরিকল্পনা করছে সরকার। এই সিদ্ধান্ত যৌক্তিক বলে মনে করেন?

অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলে কর আরোপের পরিকল্পনা করছে সরকার। এই সিদ্ধান্ত যৌক্তিক বলে মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন