ফেনী    বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩
দৈনিক ফেনী

দাগনভূঞায় অটোরিকশা চালককে হত্যা: অধরা রয়েছে সমীর হত্যায় জড়িতরা



দাগনভূঞায় অটোরিকশা চালককে হত্যা: অধরা রয়েছে সমীর হত্যায় জড়িতরা

হত্যাকাণ্ডের বিশ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো অধরা রয়ে গেছে দাগনভূঞায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালক সুমিত দাস সমীর (২৯) হত্যায় জড়িতরা। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে সনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ। উদ্ধার হয়নি ছিনতাই করা অটোরিকশাটি। এতে নিহতের স্বজন ও স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে দাগনভূঞা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ফেরদৌসি বেগম দৈনিক ফেনীকে জানান, সমীর হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তারে এবং ছিনতাইকৃত অটোরিকশাটি উদ্ধারে পুলিশের প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে। তাদের ধরতে আশাবাদী পুলিশ।

গত ১২ জানুয়ারি রাতে দাগনভূঞা উপজেলার সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ করিমপুর এলাকার বজু মুহুরী বাড়ির পাশে পাকা রাস্তা সংলগ্ন একটি নিচু জমিতে স্বজনরা সমীতের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করে দাগনভূঞা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। খবর পেয়ে থানা পুলিশ মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেন। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে দাগনভূঞা থানায় মামলা করা হয়।

নিহত সমীর মাতুভূঞা ইউনিয়নের রামানন্দপুর গ্রামের ফাজিলের ঘাট জেলে বাড়ির কার্তিক দাস ও রিনা রাণী দাসের ছেলে। তার ১০ মাস বয়সী পুত্র সন্তান রয়েছে।

নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ওইদিন রাত সাড়ে ১২টা পেরিয়ে গেলেও সমীর বাড়ি না ফেরায় ও মুঠোফোন বন্ধ থাকায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন তার স্বজনরা। পরে তার খোঁজে বের হলে সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ করিমপুর চৌধুরী হাট সড়কের বজু মুহুরী বাড়ি সংলগ্ন সড়কে সমীরের মাথার ক্যাপ এবং রক্ত দেখতে পেয়ে পাশের জমিতে নামেন তারা। সেখানে তার রক্তাক্ত ক্ষতবিক্ষত দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে ওই অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দাগনভূঞা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করে।

 

দৈনিক ফেনী

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬


দাগনভূঞায় অটোরিকশা চালককে হত্যা: অধরা রয়েছে সমীর হত্যায় জড়িতরা

প্রকাশের তারিখ : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

হত্যাকাণ্ডের বিশ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো অধরা রয়ে গেছে দাগনভূঞায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালক সুমিত দাস সমীর (২৯) হত্যায় জড়িতরা। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে সনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ। উদ্ধার হয়নি ছিনতাই করা অটোরিকশাটি। এতে নিহতের স্বজন ও স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে দাগনভূঞা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ফেরদৌসি বেগম দৈনিক ফেনীকে জানান, সমীর হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তারে এবং ছিনতাইকৃত অটোরিকশাটি উদ্ধারে পুলিশের প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে। তাদের ধরতে আশাবাদী পুলিশ।

গত ১২ জানুয়ারি রাতে দাগনভূঞা উপজেলার সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ করিমপুর এলাকার বজু মুহুরী বাড়ির পাশে পাকা রাস্তা সংলগ্ন একটি নিচু জমিতে স্বজনরা সমীতের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করে দাগনভূঞা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। খবর পেয়ে থানা পুলিশ মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেন। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে দাগনভূঞা থানায় মামলা করা হয়।

নিহত সমীর মাতুভূঞা ইউনিয়নের রামানন্দপুর গ্রামের ফাজিলের ঘাট জেলে বাড়ির কার্তিক দাস ও রিনা রাণী দাসের ছেলে। তার ১০ মাস বয়সী পুত্র সন্তান রয়েছে।

নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ওইদিন রাত সাড়ে ১২টা পেরিয়ে গেলেও সমীর বাড়ি না ফেরায় ও মুঠোফোন বন্ধ থাকায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন তার স্বজনরা। পরে তার খোঁজে বের হলে সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ করিমপুর চৌধুরী হাট সড়কের বজু মুহুরী বাড়ি সংলগ্ন সড়কে সমীরের মাথার ক্যাপ এবং রক্ত দেখতে পেয়ে পাশের জমিতে নামেন তারা। সেখানে তার রক্তাক্ত ক্ষতবিক্ষত দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে ওই অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দাগনভূঞা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করে।

 


দৈনিক ফেনী

সম্পাদক ও প্রকাশক: আরিফুল আমীন রিজভী কর্তৃক পপুলার অফসেট প্রেস, মিজান রোড, ফেনী-৩৯০০ থেকে মুদ্রিত এবং ৪৩৪, আমিন টাওয়ার (৬ষ্ঠ তলা), ট্রাংক রোড, ফেনী হতে প্রকাশিত।
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক ফেনী
দাগনভূঞায় অটোরিকশা চালককে হত্যা: অধরা রয়েছে সমীর হত্যায় জড়িতরা
0:00 0:00
1.0x