ফেনী    বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
দৈনিক ফেনী

সোনাগাজীতে খামার থেকে চুরি হওয়া ১১ গরু উদ্ধার



সোনাগাজীতে খামার থেকে চুরি হওয়া ১১ গরু উদ্ধার

সোনাগাজী মডেল থানা পুলিশের অভিযানে চরদরবেশ ইউনিয়নের পূর্ব চর সাহাভিকারী গ্রাম থেকে চুরি হওয়া ১৬টি গরুর মধ্যে ১১টি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত একাধিক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ এবং কচুয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯টি গরু উদ্ধার করে।

পুলিশ সূত্র জানায়, গত ৩১ ডিসেম্বর ভোর আনুমানিক ৪টা থেকে সাড়ে ৫টার মধ্যে সোনাগাজীর চরদরবেশ ইউনিয়নের পূর্ব চর সাহাভিকারী গ্রামের বাসিন্দা মো. শাহ আলমের গরুর খামার থেকে চোরচক্র ১৬টি গরু লুট করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মো. শাহ আলম সোনাগাজী মডেল থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন। পরে ২ জানুয়ারি সোনাগাজী মডেল থানায় একটি মামলা করা হয়।

এ ঘটনায় গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন-কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার আকুসার এলাকার মফিজ মিয়ার ছেলে মনির হোসেন (৪২) ও চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার সানন্দকড়া এলাকার ইদ্রিসের ছেলে সোহাগ (৩০)। এছাড়া কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার একটি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকা বেলাল, শিপন, রাহাত ও নুরনবীর বিরুদ্ধে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়েছে।

পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে এই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) নুরুল ইসলাম তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা সূত্রের সহায়তায় নোয়াখালী, ফেনী, কুমিল্লা ও চাঁদপুর জেলার বিভিন্ন স্থানে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক নুরুল ইসলাম জানান, পুলিশের অভিযানে গত ৬ জানুয়ারি কুমিল্লা জেলার বরুড়া থানার আকুসাইর এলাকা থেকে একটি চোরাই গরুসহ এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে সোর্সের ধারাবাহিক তথ্যের ভিত্তিতে ১২ জানুয়ারি সোনাগাজীর মতিগঞ্জ বাজার এলাকা থেকে আরও একটি চোরাই গরু উদ্ধার করা হয়। ১৩ জানুয়ারি কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার চৌয়ারা গরু বাজার এলাকা থেকে আরও একটি চোরাই গরু উদ্ধার করা হয়, এ সময় কচুয়ার সানন্দকড়া গ্রামের ইদ্রিসের ছেলে সোহাগকে (৩০) গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ আরও জানায়, সর্বশেষ গ্রেপ্তার আসামি সোহাগের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী চাঁদপুর জেলার কচুয়া থানার সানন্দকড়া এলাকায় (লতিফ সাহেবের বাড়ি) অভিযান চালিয়ে আরও ৮টি চোরাই গরু উদ্ধার করা হয়। এছাড়া এ ঘটনায় সন্দেহভাজন চার আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়েছে। এসব আসামিকে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার মামলায় ৪ জানুয়ারি গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

এ ব্যাপারে সোনাগাজী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শফিকুর রহমান বলেন, চুরির ঘটনার পর থেকে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও গরু উদ্ধারে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা সূত্রের মাধ্যমে ইতোমধ্যে ১১টি গরু উদ্ধার ও জড়িত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। চুরি হওয়া অবশিষ্ট ৫টি গরু উদ্ধার ও সংঘবদ্ধ চোরচক্রের সক্রিয় সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

 

দৈনিক ফেনী

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬


সোনাগাজীতে খামার থেকে চুরি হওয়া ১১ গরু উদ্ধার

প্রকাশের তারিখ : ১৫ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

সোনাগাজী মডেল থানা পুলিশের অভিযানে চরদরবেশ ইউনিয়নের পূর্ব চর সাহাভিকারী গ্রাম থেকে চুরি হওয়া ১৬টি গরুর মধ্যে ১১টি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত একাধিক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ এবং কচুয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯টি গরু উদ্ধার করে।

পুলিশ সূত্র জানায়, গত ৩১ ডিসেম্বর ভোর আনুমানিক ৪টা থেকে সাড়ে ৫টার মধ্যে সোনাগাজীর চরদরবেশ ইউনিয়নের পূর্ব চর সাহাভিকারী গ্রামের বাসিন্দা মো. শাহ আলমের গরুর খামার থেকে চোরচক্র ১৬টি গরু লুট করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মো. শাহ আলম সোনাগাজী মডেল থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন। পরে ২ জানুয়ারি সোনাগাজী মডেল থানায় একটি মামলা করা হয়।

এ ঘটনায় গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন-কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার আকুসার এলাকার মফিজ মিয়ার ছেলে মনির হোসেন (৪২) ও চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার সানন্দকড়া এলাকার ইদ্রিসের ছেলে সোহাগ (৩০)। এছাড়া কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার একটি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকা বেলাল, শিপন, রাহাত ও নুরনবীর বিরুদ্ধে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়েছে।

পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে এই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) নুরুল ইসলাম তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা সূত্রের সহায়তায় নোয়াখালী, ফেনী, কুমিল্লা ও চাঁদপুর জেলার বিভিন্ন স্থানে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক নুরুল ইসলাম জানান, পুলিশের অভিযানে গত ৬ জানুয়ারি কুমিল্লা জেলার বরুড়া থানার আকুসাইর এলাকা থেকে একটি চোরাই গরুসহ এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে সোর্সের ধারাবাহিক তথ্যের ভিত্তিতে ১২ জানুয়ারি সোনাগাজীর মতিগঞ্জ বাজার এলাকা থেকে আরও একটি চোরাই গরু উদ্ধার করা হয়। ১৩ জানুয়ারি কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার চৌয়ারা গরু বাজার এলাকা থেকে আরও একটি চোরাই গরু উদ্ধার করা হয়, এ সময় কচুয়ার সানন্দকড়া গ্রামের ইদ্রিসের ছেলে সোহাগকে (৩০) গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ আরও জানায়, সর্বশেষ গ্রেপ্তার আসামি সোহাগের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী চাঁদপুর জেলার কচুয়া থানার সানন্দকড়া এলাকায় (লতিফ সাহেবের বাড়ি) অভিযান চালিয়ে আরও ৮টি চোরাই গরু উদ্ধার করা হয়। এছাড়া এ ঘটনায় সন্দেহভাজন চার আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়েছে। এসব আসামিকে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার মামলায় ৪ জানুয়ারি গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

এ ব্যাপারে সোনাগাজী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শফিকুর রহমান বলেন, চুরির ঘটনার পর থেকে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও গরু উদ্ধারে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা সূত্রের মাধ্যমে ইতোমধ্যে ১১টি গরু উদ্ধার ও জড়িত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। চুরি হওয়া অবশিষ্ট ৫টি গরু উদ্ধার ও সংঘবদ্ধ চোরচক্রের সক্রিয় সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

 


দৈনিক ফেনী

সম্পাদক ও প্রকাশক: আরিফুল আমীন রিজভী কর্তৃক পপুলার অফসেট প্রেস, মিজান রোড, ফেনী-৩৯০০ থেকে মুদ্রিত এবং ৪৩৪, আমিন টাওয়ার (৬ষ্ঠ তলা), ট্রাংক রোড, ফেনী হতে প্রকাশিত।
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক ফেনী
সোনাগাজীতে খামার থেকে চুরি হওয়া ১১ গরু উদ্ধার
0:00 0:00
1.0x