ফেনী    বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩
দৈনিক ফেনী

মহিপালে হত্যাকান্ড: পৃথক ৮ হত্যা মামলায় আসামি ২৯৪০



মহিপালে হত্যাকান্ড: পৃথক ৮ হত্যা মামলায় আসামি ২৯৪০

ফেনীর মহিপালে ছাত্র-জনতা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত আটটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। এতে মোট আসামি করা হয়েছে ২ হাজার ৯৪০জনকে। মামলার একটিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকেও আসামি করা হয়েছে। এছাড়া প্রতিটি মামলায় ফেনী-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন হাজারীকে আসামি করা হয়েছে। তথ্যগুলো নিশ্চিত করেছেন ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রুহুল আমিন।

ফেনী মডেল থানা সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাতে এখন পর্যন্ত সর্বশেষ মামলাটি থানায় দায়ের হয়েছে। গত ৫ আগস্ট দুপুরে শহরের জেলরোডে স্বামী জাফর আহম্মদকে (৫৩) কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ করে মামলার বাদী হন আছিয়া বেগম (৫০)। ফেনী-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য লে. জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে এক নম্বর আসামি করে ২০৫ জনের নামোল্লেখে আরও ১৫০জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলাটি করা হয়। নিহত জাফর আহম্মদ পেশায় টমটম চালক ছিলেন। তার বাড়ি সদর উপজেলার শর্শদি ইউনিয়নের ফতেহপুরের মোমিন টেইলার বাড়ি।

একইসূত্র জানায়, গত ৪ আগস্ট মহিপালে নির্বিচারে গুলিতে মাহবুবুল হাসান মাসুম (২৫) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাতে একই থানায় মামলা করেন নিহতের ভাই মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান। এ মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে আসামি করে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। মামলায় ১৬২ জনের নামোল্লেখে আরও ৫শ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।

ফেনী থানা সূত্রে আরও জানা গেছে, শিহাব হত্যা মামলায় ৩০১ জন, শ্রাবণ হত্যা মামলায় ৩০৫ জন, মাসুদ হত্যা মামলায় ৩৩৪ জন, সবুজ হত্যা মামলায় ৪৬৫ জন, সাকিব হত্যা মামলায় ২৭১ জন এবং অপর একটি হত্যা মামলায় ২৪৪জনকে আসামি করা হয়েছে।

একাধিক সূত্রে জানা গেছে, এসব মামলায় জেলার অন্তত অর্ধশতাধিক সাবেক ও বর্তমান জনপ্রতিনিধিসহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের আসামি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে অসহযোগ আন্দোলনের প্রথমদিন ফেনীর মহিপালে ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচারে গুলি করে অস্ত্রধারীরা। এতে ৯জন নিহতের তথ্য পাওয়া গেছে। একাধিক প্রত্যক্ষদর্শীর দাবি এবং সিসি ফুটেজে দেখা গেছে, অস্ত্রধারীরা সকলেই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী।

টমটম চালককে হত্যার অভিযোগে মামলা
ফেনীতে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ছাত্র-জনতা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আরও একটি মামলা দায়ের হয়েছে। এতে ফেনী-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য লে. জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও ফেনী-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারীকে যথাক্রমে এক ও দুই নম্বর আসামিসহ ২০৫ জনের নামোল্লেখে আরও ১৫০জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) তথ্যগুলো নিশ্চিত করেছেন ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রুহুল আমিন।

ফেনী মডেল থানা সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাতে মামলাটি থানায় দায়ের হয়েছে। গত ৫ আগস্ট দুপুরে শহরের জেলরোডে স্বামী জাফর আহম্মদকে (৫৩) কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ করে মামলার বাদী হন আছিয়া বেগম (৫০)।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত জাফর আহম্মদ পেশায় টমটম চালক ছিলেন। তার বাড়ি সদর উপজেলার শর্শদি ইউনিয়নের ফতেহপুরের মোমিন টেইলার বাড়ি।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, এ মামলায় উল্লেখযোগ্য অন্য আসামিরা হলেন- ফেনী জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান খায়রুল বশর মজুমদার তপন, সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শুসেন চন্দ্র শীল, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র নজরুল ইসলাম স্বপন মিয়াজী, ফেনী-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হাজী রহিম উল্ল্যাহ, যুবলীগ নেতা জিয়া উদ্দিন বাবলু, শর্শদি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি জানে আলম ভূঁইয়া, ছাগলনাইয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মেজবাউল হায়দার চৌধুরী সোহেল, ফুলগাজী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হারুন মজুমদার।

মামলার এজাহার সূত্রে আরও জানা যায়, গত ৩ আগস্ট শহরের ট্রাংক রোডে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে টমটম চালক জাফর আহাম্মদ স্বেচ্ছায় অংশগ্রহণ করেন। আন্দোলনে তার অংশগ্রহণের বেশকিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ অনলাইনে প্রকাশ হয়। ওইদিন শর্শদি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জানে আলম ভূঁইয়াসহ আরও ১০-১১ জন আসামি জাফরের বাড়িতে গিয়ে হত্যার হুমকি দেন। ভয়ে আছিয়া তার স্বামীকে সেদিন বাসায় আসতে নিষেধ করেন। জাফরও তার স্ত্রীর কথামতো সেদিন আর বাসায় যায়নি। পরদিন ৪ আগস্ট দুপুরের দিকে জাফরকে ফেনী শহরের পুরাতন জেল রোডস্থ জেলা কারাগারের সামনে পেয়ে ধাওয়া করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নির্মমভাবে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করে তারা। স্বজনরা খবর পেয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জাফরকে মৃত ঘোষণা করেন।

উল্লেখ্য, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত আরও সাতজনের স্বজন বাদী হয়ে ইতোপূর্বে ফেনী মডেল থানায় পৃথক ৭টি হত্যা মামলা করা হয়েছিল।

দৈনিক ফেনী

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬


মহিপালে হত্যাকান্ড: পৃথক ৮ হত্যা মামলায় আসামি ২৯৪০

প্রকাশের তারিখ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪

featured Image

ফেনীর মহিপালে ছাত্র-জনতা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত আটটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। এতে মোট আসামি করা হয়েছে ২ হাজার ৯৪০জনকে। মামলার একটিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকেও আসামি করা হয়েছে। এছাড়া প্রতিটি মামলায় ফেনী-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন হাজারীকে আসামি করা হয়েছে। তথ্যগুলো নিশ্চিত করেছেন ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রুহুল আমিন।

ফেনী মডেল থানা সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাতে এখন পর্যন্ত সর্বশেষ মামলাটি থানায় দায়ের হয়েছে। গত ৫ আগস্ট দুপুরে শহরের জেলরোডে স্বামী জাফর আহম্মদকে (৫৩) কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ করে মামলার বাদী হন আছিয়া বেগম (৫০)। ফেনী-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য লে. জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে এক নম্বর আসামি করে ২০৫ জনের নামোল্লেখে আরও ১৫০জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলাটি করা হয়। নিহত জাফর আহম্মদ পেশায় টমটম চালক ছিলেন। তার বাড়ি সদর উপজেলার শর্শদি ইউনিয়নের ফতেহপুরের মোমিন টেইলার বাড়ি।

একইসূত্র জানায়, গত ৪ আগস্ট মহিপালে নির্বিচারে গুলিতে মাহবুবুল হাসান মাসুম (২৫) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাতে একই থানায় মামলা করেন নিহতের ভাই মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান। এ মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে আসামি করে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। মামলায় ১৬২ জনের নামোল্লেখে আরও ৫শ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।

ফেনী থানা সূত্রে আরও জানা গেছে, শিহাব হত্যা মামলায় ৩০১ জন, শ্রাবণ হত্যা মামলায় ৩০৫ জন, মাসুদ হত্যা মামলায় ৩৩৪ জন, সবুজ হত্যা মামলায় ৪৬৫ জন, সাকিব হত্যা মামলায় ২৭১ জন এবং অপর একটি হত্যা মামলায় ২৪৪জনকে আসামি করা হয়েছে।

একাধিক সূত্রে জানা গেছে, এসব মামলায় জেলার অন্তত অর্ধশতাধিক সাবেক ও বর্তমান জনপ্রতিনিধিসহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের আসামি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে অসহযোগ আন্দোলনের প্রথমদিন ফেনীর মহিপালে ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচারে গুলি করে অস্ত্রধারীরা। এতে ৯জন নিহতের তথ্য পাওয়া গেছে। একাধিক প্রত্যক্ষদর্শীর দাবি এবং সিসি ফুটেজে দেখা গেছে, অস্ত্রধারীরা সকলেই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী।

টমটম চালককে হত্যার অভিযোগে মামলা
ফেনীতে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ছাত্র-জনতা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আরও একটি মামলা দায়ের হয়েছে। এতে ফেনী-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য লে. জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও ফেনী-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারীকে যথাক্রমে এক ও দুই নম্বর আসামিসহ ২০৫ জনের নামোল্লেখে আরও ১৫০জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) তথ্যগুলো নিশ্চিত করেছেন ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রুহুল আমিন।

ফেনী মডেল থানা সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাতে মামলাটি থানায় দায়ের হয়েছে। গত ৫ আগস্ট দুপুরে শহরের জেলরোডে স্বামী জাফর আহম্মদকে (৫৩) কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ করে মামলার বাদী হন আছিয়া বেগম (৫০)।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত জাফর আহম্মদ পেশায় টমটম চালক ছিলেন। তার বাড়ি সদর উপজেলার শর্শদি ইউনিয়নের ফতেহপুরের মোমিন টেইলার বাড়ি।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, এ মামলায় উল্লেখযোগ্য অন্য আসামিরা হলেন- ফেনী জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান খায়রুল বশর মজুমদার তপন, সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শুসেন চন্দ্র শীল, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র নজরুল ইসলাম স্বপন মিয়াজী, ফেনী-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হাজী রহিম উল্ল্যাহ, যুবলীগ নেতা জিয়া উদ্দিন বাবলু, শর্শদি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি জানে আলম ভূঁইয়া, ছাগলনাইয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মেজবাউল হায়দার চৌধুরী সোহেল, ফুলগাজী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হারুন মজুমদার।

মামলার এজাহার সূত্রে আরও জানা যায়, গত ৩ আগস্ট শহরের ট্রাংক রোডে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে টমটম চালক জাফর আহাম্মদ স্বেচ্ছায় অংশগ্রহণ করেন। আন্দোলনে তার অংশগ্রহণের বেশকিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ অনলাইনে প্রকাশ হয়। ওইদিন শর্শদি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জানে আলম ভূঁইয়াসহ আরও ১০-১১ জন আসামি জাফরের বাড়িতে গিয়ে হত্যার হুমকি দেন। ভয়ে আছিয়া তার স্বামীকে সেদিন বাসায় আসতে নিষেধ করেন। জাফরও তার স্ত্রীর কথামতো সেদিন আর বাসায় যায়নি। পরদিন ৪ আগস্ট দুপুরের দিকে জাফরকে ফেনী শহরের পুরাতন জেল রোডস্থ জেলা কারাগারের সামনে পেয়ে ধাওয়া করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নির্মমভাবে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করে তারা। স্বজনরা খবর পেয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জাফরকে মৃত ঘোষণা করেন।

উল্লেখ্য, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত আরও সাতজনের স্বজন বাদী হয়ে ইতোপূর্বে ফেনী মডেল থানায় পৃথক ৭টি হত্যা মামলা করা হয়েছিল।


দৈনিক ফেনী

সম্পাদক ও প্রকাশক: আরিফুল আমীন রিজভী কর্তৃক পপুলার অফসেট প্রেস, মিজান রোড, ফেনী-৩৯০০ থেকে মুদ্রিত এবং ৪৩৪, আমিন টাওয়ার (৬ষ্ঠ তলা), ট্রাংক রোড, ফেনী হতে প্রকাশিত।
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক ফেনী
মহিপালে হত্যাকান্ড: পৃথক ৮ হত্যা মামলায় আসামি ২৯৪০
0:00 0:00
1.0x