ফেনী    বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩
দৈনিক ফেনী

ফেনী হাসপাতালে করোনায় ১৫০ শয্যা অনুমোদন মিললেও বাড়েনি জনবল ও আর্থিক বরাদ্দ


প্রকাশ : ১১ আগস্ট ২০২১ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

ফেনী হাসপাতালে করোনায় ১৫০ শয্যা অনুমোদন মিললেও বাড়েনি জনবল ও আর্থিক বরাদ্দ


এখনই প্রয়োজনীয় জনবল না বাড়ানোয় পূর্বের ৩০ শয্যার জনবলে চলবে কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতাল। অনুরূপ, বাড়েনি রোগীর খাবারের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ
(উপরের অংশটি নিউজের ইনসার্টে হবে)
নিজস্ব প্রতিবেদক
২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ফেনী জেনারেল হাসপাতালের ৩০ শয্যার আইসোলেশন ওয়ার্ডকে ১৫০ শয্যার কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতালে উন্নীত করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (১০ আগস্ট) সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ হতে এ সংক্রান্ত চিঠি ফেনী জেনারেল হাসপাতালে পৌঁছেছে। কিন্তু এখনই প্রয়োজনীয় জনবল না বাড়ানোয় পূর্বের ৩০ শয্যার জনবলে চলবে কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতাল। অনুরূপ, বাড়েনি রোগীর খাবারের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ। যদিও পূর্বে আইসোলেশনে ৩০ শয্যার কথা বলা হলেও শতাধিক রোগী নিয়মিত চিকিৎসা নিচ্ছেন, সমপরিমাণ রোগীর জন্য বরাদ্দকৃত টাকাতেই মিলছে আইসোলেশনে চিকিৎসারত সবার খাবার।

তবে জনবল বৃদ্ধি এবং রোগীর খাবারের মান বৃদ্ধিতে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের জন্য লিখিতভাবে জানানো হচ্ছে বলে জানান আবাসিক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ইকবাল হোসেন ভূঁইয়া।
তিনি জানান, ১৫০ শয্যার অনুমোদনের পরই জনবল ও অর্থ বরাদ্দের আবেদনের নিয়ম রয়েছে। গতকাল এ সংক্রান্ত একটি সভা হয়েছে। ঢাকার কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতালগুলোর ব্যবস্থাপনা পর্যালোচনা করে শীঘ্রই চাহিদাপত্র প্রেরণ করা হবে।
হাসপাতালের একটি সূত্র জানায়, বর্তমানে হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে দায়িত্বপালন করছেন ৮ জন কনসালটেন্ট, মেডিকেল অফিসার ১৬ জন, নার্স ২৪ জন এবং অন্যান্য ৩০ জন। তবে এ জনবল দুই ভাগ হয়ে দায়িত্বপালন করে থাকে। এদের প্রত্যেকেই ১৪ দিন কাজ শেষে নির্দেশনা অনুযায়ী কোয়ারেন্টিনে চলে যান। ফলে নির্ধারিত শয্যার প্রায় পাঁচগুণ বেশি রোগীকে সেবা দিতে গিয়ে হিমশিম খেতে হয়। এমন পরিস্থিতি ডাক্তার, রোগী- সবার জন্যই কষ্টকর।
জেলার সবগুলো উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আইসোলেশন ওয়ার্ড ও কেন্দ্রীয় অক্সিজেন ব্যবস্থা থাকলেও কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে ধারণক্ষমতার বেশি। রোগীর অত্যাধিক চাপ বেড়েছে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে। গতমাসে সর্বোচ্চ ১৪১ জন রোগী কোভিড-১৯ উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন এবং নিয়মিত শতাধিক রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেন বলে ইতোপূর্বে জানিয়েছিলেন আবাসিক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: রিপন নাথ। তিনি জানান, পাশ্ববর্তী জেলার সীমানাবর্তী অঞ্চলের রোগীরা এ হাসপাতালমুখী। ফলে রোগীর চাপও বেশি।

দৈনিক ফেনী

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬


ফেনী হাসপাতালে করোনায় ১৫০ শয্যা অনুমোদন মিললেও বাড়েনি জনবল ও আর্থিক বরাদ্দ

প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২১

featured Image


এখনই প্রয়োজনীয় জনবল না বাড়ানোয় পূর্বের ৩০ শয্যার জনবলে চলবে কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতাল। অনুরূপ, বাড়েনি রোগীর খাবারের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ
(উপরের অংশটি নিউজের ইনসার্টে হবে)
নিজস্ব প্রতিবেদক
২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ফেনী জেনারেল হাসপাতালের ৩০ শয্যার আইসোলেশন ওয়ার্ডকে ১৫০ শয্যার কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতালে উন্নীত করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (১০ আগস্ট) সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ হতে এ সংক্রান্ত চিঠি ফেনী জেনারেল হাসপাতালে পৌঁছেছে। কিন্তু এখনই প্রয়োজনীয় জনবল না বাড়ানোয় পূর্বের ৩০ শয্যার জনবলে চলবে কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতাল। অনুরূপ, বাড়েনি রোগীর খাবারের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ। যদিও পূর্বে আইসোলেশনে ৩০ শয্যার কথা বলা হলেও শতাধিক রোগী নিয়মিত চিকিৎসা নিচ্ছেন, সমপরিমাণ রোগীর জন্য বরাদ্দকৃত টাকাতেই মিলছে আইসোলেশনে চিকিৎসারত সবার খাবার।

তবে জনবল বৃদ্ধি এবং রোগীর খাবারের মান বৃদ্ধিতে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের জন্য লিখিতভাবে জানানো হচ্ছে বলে জানান আবাসিক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ইকবাল হোসেন ভূঁইয়া।
তিনি জানান, ১৫০ শয্যার অনুমোদনের পরই জনবল ও অর্থ বরাদ্দের আবেদনের নিয়ম রয়েছে। গতকাল এ সংক্রান্ত একটি সভা হয়েছে। ঢাকার কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতালগুলোর ব্যবস্থাপনা পর্যালোচনা করে শীঘ্রই চাহিদাপত্র প্রেরণ করা হবে।
হাসপাতালের একটি সূত্র জানায়, বর্তমানে হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে দায়িত্বপালন করছেন ৮ জন কনসালটেন্ট, মেডিকেল অফিসার ১৬ জন, নার্স ২৪ জন এবং অন্যান্য ৩০ জন। তবে এ জনবল দুই ভাগ হয়ে দায়িত্বপালন করে থাকে। এদের প্রত্যেকেই ১৪ দিন কাজ শেষে নির্দেশনা অনুযায়ী কোয়ারেন্টিনে চলে যান। ফলে নির্ধারিত শয্যার প্রায় পাঁচগুণ বেশি রোগীকে সেবা দিতে গিয়ে হিমশিম খেতে হয়। এমন পরিস্থিতি ডাক্তার, রোগী- সবার জন্যই কষ্টকর।
জেলার সবগুলো উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আইসোলেশন ওয়ার্ড ও কেন্দ্রীয় অক্সিজেন ব্যবস্থা থাকলেও কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে ধারণক্ষমতার বেশি। রোগীর অত্যাধিক চাপ বেড়েছে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে। গতমাসে সর্বোচ্চ ১৪১ জন রোগী কোভিড-১৯ উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন এবং নিয়মিত শতাধিক রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেন বলে ইতোপূর্বে জানিয়েছিলেন আবাসিক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: রিপন নাথ। তিনি জানান, পাশ্ববর্তী জেলার সীমানাবর্তী অঞ্চলের রোগীরা এ হাসপাতালমুখী। ফলে রোগীর চাপও বেশি।


দৈনিক ফেনী

সম্পাদক ও প্রকাশক: আরিফুল আমীন রিজভী কর্তৃক পপুলার অফসেট প্রেস, মিজান রোড, ফেনী-৩৯০০ থেকে মুদ্রিত এবং ৪৩৪, আমিন টাওয়ার (৬ষ্ঠ তলা), ট্রাংক রোড, ফেনী হতে প্রকাশিত।
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক ফেনী
ফেনী হাসপাতালে করোনায় ১৫০ শয্যা অনুমোদন মিললেও বাড়েনি জনবল ও আর্থিক বরাদ্দ
0:00 0:00
1.0x