বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে ফেনী রিপোর্টার্স ইউনিটিতে মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বুধবার (৩ মে) বিকালে ইউনিটি কার্যালয়ে আয়োজিত আলোচনায় প্রধান অতিথি ছিলেন অধ্যাপক রফিক রহমান ভূঁইয়া।
ফেনী রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি শুকদেব নাথ তপনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আলী হায়দার মানিকের সঞ্চালনায় মুক্ত আলোচনায় আরও অংশ নেন ফেনী রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন, ফেনী প্রেস ক্লাব সাবেক সভাপতি আবু তাহের ভূঁইয়া ও একেএম আবদুর রহিম, ফেনী সাংবাদিক ইউনিয়ন সভাপতি যতন মজুমদার, ফেনী রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি আরিফুল আমীন রিজভী, এনামুল হক পাটোয়ারী ও জহিরুল হক মিলু, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম সাধারণ সম্পাদক জসিম মাহমুদ, যমুনা টিভির স্টাফ রিপোর্টার আরএম আরিফুর রহমান, মানবজমিন ফেনী প্রতিনিধি নাজমুল হক শামীম, ফেনী রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাইন উদ্দিন, দিদারুল আলম ও জহিরুল হক মিলন, ফেনী ইয়ুথ জার্নালিস্ট ফোরাম সভাপতি শাহজালাল ভূঁঞা, সংবাদ সারাবেলা ফেনী প্রতিনিধি এসএম ইউসুফ আলী, ছাগলনাইয়া ডট কম সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির লিটন, ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভি ফেনী প্রতিনিধি সমির উদ্দিন ভূঁঞা, সাপ্তাহিক স্বদেশকণ্ঠ সম্পাদক নুর তানজিলা রহমান, ফেনী ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন সাধারণ সম্পাদক আশিকুন্নবী সজিব প্রমুখ।
এছাড়াও ফেনী প্রেস ক্লাব সাবেক সহ-সভাপতি কামাল উদ্দিন ভূঁঞা, সাপ্তাহিক স্বদেশপত্র সম্পাদক এন এন জীবন, ফেনী ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন সভাপতি এম এমরান পাটোয়ারী, ইউনিটির সহ-সভাপতি এম এ জাফর, সহ-সাধারণ সম্পাদক নুর উল্যাহ কায়সার, কোষাধ্যক্ষ তোফায়েল আহমেদ নিলয়, দপ্তর সম্পাদক মফিজুর রহমান, ক্রীড়া সম্পাদক আজিজ আল ফয়সাল, সদস্য মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম ও মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, সহযোগী সদস্য দেলোয়ার হোসেন ঝন্টু, ঢাকা পোস্ট প্রতিনিধি এম এ আকাশ সহ বিপুল সংখ্যক গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক রফিক রহমান ভূইয়া বলেন, যখন যে সরকার আসে তখন সেই সরকার নিজেকে রক্ষা করার জন্য সমাজের চোখটাকে বন্ধ করে দেয়ার জন্য চেষ্টা করেন। ডিজিটাল আইন দ্বারা সাংবাদিকতা বেশিরভাগ নির্যাতিত হচ্ছে। কিন্তু এ আইন প্রণোয়ন হওয়ার সময় কথা ছিল এই আইন সাংবাদিকদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত এ আইন দ্বারা সাংবাদিকরাই বেশি নির্যাতিত হয়েছে।
সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, আপনারা আপনাদের যুক্তি, বিবেক ও স্বাধীনতাকে মুক্ত রেখে সাংবাদিকতা করবেন। মানবিকতা বলতে যে স্বাধীনতা আগে প্রয়োজন সেটি হলো আপনাদের স্বাধীনতা। আপনারা যদি সমাজে স্বাধীন না থাকেন তাহলে সমাজ অন্ধ হয়ে যাবে। কারন সংবাদপত্র হচ্ছে সমাজের চোখ এবং জীবনের চোখ। সেই চোখ বন্ধ করে দেয়ার জন্য যদি কোন আইন হয় তাহলে সেই আইন কোন ক্রমেই মেনে নেয়ার মতো সুযোগ নেই। সারা দেশের সাংবাদিকরা এক হয়ে কথা বলুন। আপনাদের শক্তির কাছে কোন শক্তি দাঁড়াতে পারবে না। সকলে নিজ পেশায় সৎ থাকুন এবং নিজের পেশায় কখনো অসৎ হবেন না। হলুদ সাংবাদিতাকে কখনো প্রশ্রয় দিবেন না। আপনারা দল, মত নির্বিশেষে এক হয়ে জীবনের জন্য কাজ করুন।