ফেনী জেলা পরিষদ নির্বাচন: আ.লীগের সকল প্রার্থীই অপ্রতিদ্বন্দ্বী


ফেনী জেলা পরিষদ নির্বাচনে অপ্রতিদ্বন্দ্বী রয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান ও সদস্য প্রার্থীরা। আজ বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) নির্বাচনী তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষ দিন। জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্র জানিয়েছে, নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি খায়রুল বাশার মজুমদার তপন অপ্রতিদ্বন্দ্বী রয়েছেন। একইভাবে নির্বাচনে সদস্য পদে জেলা আওয়ামী লীগের মনোনীত ৮ প্রার্থী ছাড়া অন্য কেউ মনোনয়নপত্র জমা দেয়নি। ফলে বিধি অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন কর্তৃক মনোয়নপত্রের বৈধতা যাচাই-বাছাই চুড়ান্ত হলে প্রত্যক্ষ ভোট ছাড়াই তাদের বিজয়ী ঘোষণা করতে কোন বাধা থাকবে না।

একক প্রার্থী হিসেবে চেয়ারম্যান পদে আ.লীগের প্রার্থী পরশুরামের চিথলিয়া ইউনিয়নের ধনীকুন্ডার ছেলে খায়রুল বাশার মজুমদার তপন।

৬টি সাধারন সদস্য ও ২টি সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ১নং ওয়ার্ডে ফুলগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাইফুল ইসলাম, ২নং ওয়ার্ডে ছাগলনাইয়া উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী ওমর ফারুক, ৩নং ওয়ার্ডে জেলা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু তালেব জেকব, ৪ নং ওয়ার্ডে সদর উপজেলা যুবলীগ সভাপতি নুরুল আফছার আপন, ৫নং ওয়ার্ডে দাগনভূঞা পৌর আওয়ামীলীগ সভাপতি খায়েজ আহাম্মদ, ৬নং ওয়ার্ডে চরছান্দিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহিম মানিক, সংরক্ষিত মহিলা ওয়ার্ড ১, ২ ও ৩নং ওয়ার্ডে জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক লায়লা জেসমিন বড়মনি এবং ৪, ৫ ও ৬নং ওয়ার্ডে দাগনভূঞা উপজেলা আওয়ামী লীগ সদস্য শাহিদা আক্তার শেফালী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, জেলা পরিষদ নির্বাচনে এ বছর চেয়ারম্যান পদে দলীয় কোন প্রার্থীকে সুপারিশ করেনি জেলা আওয়ামী লীগ। তবে চেয়ারম্যান পদের জন্য দলের কাছে আবেদন করেছিলেন ৬ প্রার্থী। তাদের মধ্যে তপনকে পুনরায় দলীয় মনোনয়ন প্রদান করে আওয়ামী লীগের সংসদীয় বোর্ড ও স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ড। ৮টি সদস্য পদে দলীয় প্রার্থী বাছাই করে জেলা আওয়ামী লীগ। দল থেকে মনোনয়ন পেতে ৮টি সদস্য পদে আবেদন করেছিলেন ১৩০জন।

এর আগে পাঁচ বছর মেয়াদ পূর্ণ হওয়ায় গত ২৩ আগস্ট দেশের ৬১ জেলা পরিষদ নির্বাচনে তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র বাছাই করা হবে। মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের সময় ১৯ থেকে ২১ সেপ্টেম্বর, আপিল নিষ্পত্তি ২২ থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৫ সেপ্টেম্বর। প্রতীক বরাদ্দ ২৬ সেপ্টেম্বর। আর ভোটগ্রহণ ১৭ অক্টোবর ভোটগ্রহণ করার কথা রয়েছে।

মন্তব্যসমূহ

আপনার মূল্যবান মতামত প্রদান করুন

    কোনো মন্তব্য খুঁজে পাওয়া যায় নি

মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।