বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, মানুষ যদি শান্তিতেই না থাকতে পারে, তাহলে উন্নয়নের কোনো সার্থকতা হবে না। আগে মানুষের নিরাপত্তার জন্য সবাইকে কাজ করতে হবে। শুধু উন্নয়ন দিয়ে মানুষের জীবনমান উন্নয়ন করা যাবে না। মানুষের জীবনমান উন্নয়ন করতে হলে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। সমাজকে শৃঙ্খলায় ফিরিয়ে এনে উন্নয়ন করতে হবে। গতকাল সোমবার (৯ মার্চ) বিকেলে দাগনভূঞা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, উপজেলায় এসে সব সমস্যার সমাধানে সচেষ্ট থাকব। মানুষের কোনো দুর্ভোগ বা কষ্ট হয় এমন কাজ থেকে সবাইকে বিরত থাকতে হবে। যেকোনো সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে হবে।
আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ যেন কোনোভাবেই হয়রানি বা ভোগান্তির শিকার না হন সেই বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে। পাশাপাশি উপজেলার সব দপ্তরের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় জোরদার করে দাগনভূঞা উপজেলাকে একটি উন্নত ও জনবান্ধব উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এলাকায় চাঁদাবাজি, দখলবাজি, অনিয়ম চুরি, ছিনতাই ও কিশোর অপরাধসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট বিভাগ কাজ করছেন। এর আগে উপজেলার রামনগর ইউনিয়নে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্ল্যান স্থাপনের জায়গায় পরিদর্শন করেন পরিবেশমন্ত্রী।
সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহীদুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহিদুল আলমের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর আবদুল আউয়াল মিন্টু মনোযোগ দিয়ে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের কথা শোনেন এবং তা পর্যায়ক্রমে সকলের সহযোগিতা নিয়ে সমস্যাগুলো সমাধানের আশ্বাস দেন।
এসময় বক্তব্য রাখেন দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. কামরুজ্জামান, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সানজিদা মাহবুব, উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মো. মাছুম বিল্লাহ, ফেনী পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহকারী প্রকৌশলী মো. ফুয়াদ হাসান। এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
