ফেনীতে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল সাথে আনায় এক পরীক্ষার্থীকে বহিস্কার করা হয়েছে। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বিকেলে শহরের ফেনী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে মো. মোক্তার হোসেন নামে পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়। ফেনীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) ফাতিমা সুলতানা একজনকে বহিস্কারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। পরীক্ষাগ্রহণে ১০টি কেন্দ্রে ১০জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করেছেন।

ফেনী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিপুল সরকার বলেন, শুক্রবার বিকেল তিনটা থেকে চারটা পর্যন্ত এ কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এ কেন্দ্রে মো. মোক্তার হোসেন নামে এক পরীক্ষার্থী প্রবেশপত্র ছাড়াই কেন্দ্র প্রবেশ করে। পরে তাঁকে তল্লাশী করা হলে তাঁর কাছে অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন পাওয়া যায়। প্রবেশপত্র না আনা ও অ্যান্ড্রয়েড ফোন সাথে থাকায় তাঁকে বহিষ্কার করা হয়।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ফিরোজ আহম্মদ বলেন, সুষ্ঠভাবে ফেনীতে ১০টি কেন্দ্রে একযোগে এ পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। জেলায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৮ হাজার ৪২৯ জন। এদের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ৬ হাজার ৫৭৪ জন, অনুপস্থিত ছিলেন ১ হাজার ৮৫৪। ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়াও প্রতিকেন্দ্রে ২জন কর্মকর্তা দায়িত্বে ছিলেন।

প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, ফেনী জেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বর্তমানে ৯২ জন সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। এর মধ্যে ফেনী সদর উপজেলায় ১৭টি, দাগনভূঞা উপজেলায় ১৬টি, সোনাগাজী উপজেলায় ৩১টি, ছাগলনাইয়া উপজেলায় ১৪টি, ফুলগাজী উপজেলায় ১২টি এবং পরশুরাম উপজেলায় ২টি সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। এর মধ্যে সোনাগাজী উপজেলায় শূন্য পদ সর্বাধিক এবং পরশুরাম উপজেলায় সর্বনিম্ন।