রোজায় বেশিরভাগ রোজাদারের গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দেখা দেয়। এর সবচেয়ে বড় কারণ হলো খাদ্যাভ্যাস। রোজায় আমরা এমন অনেক খাবার খাই যা মুখরোচক হলেও স্বাস্থ্যকর নয়।

যাদের গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটির সমস্যা রয়েছে, তারা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী যথাযথ ওষুধ সেবন করে নিশ্চিন্তে রোজা রাখতে পারেন।

বর্তমানে এমন অনেক উন্নত মানের ওষুধ পাওয়া যায়, যার প্রভাব শরীরে ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত স্থায়ী হয়। ফলে সেহরি বা ইফতারের সময় নিয়মমাফিক ওষুধ গ্রহণ করলে সারাদিন সুস্থ থাকা সম্ভব।

সেহরি ও ইফতারে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার

ওষুধের পাশাপাশি সেহরি ও ইফতারে স্বাস্থ্যসম্মত খাবারের প্রতি যত্নশীল হওয়া জরুরি। ভাজাপোড়া ও অতিরিক্ত তেল-মশলাযুক্ত খাবার পরিহার করলে অ্যাসিডিটির ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়। চিকিৎসাবিজ্ঞানেও প্রমাণিত যে, নিয়মতান্ত্রিক রোজা পালনের ফলে বদহজম, টক ঢেঁকুর কিংবা পেট ফাঁপার মতো অনেক সমস্যা প্রাকৃতিকভাবেই সেরে যায়।

প্রয়োজনীয় সতর্কতা 

ওষুধ এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের পরেও যদি কেউ রোজা রাখতে প্রচণ্ড কষ্ট অনুভব করেন কিংবা বুকে তীব্র ব্যথার মতো জটিলতা দেখা দেয়, তবে শরিয়তের বিধান অনুযায়ী ছাড় রয়েছে। এক্ষেত্রে একজন দ্বীনদার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে তিনি রোজা ভাঙতে বা সাময়িকভাবে রোজা রাখা থেকে বিরত থাকতে পারেন। পরবর্তীতে কাজা আদায় করে নিতে হবে।