ফেনীতে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় ইয়াকুব হোসেন নামে ফুলগাজীর এক ব্যক্তির ৭ বছর আটক আদেশ প্রদান করেছে আদালত। গতকাল মঙ্গলবার (১৯ মে) ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ.এন.এম মোরশেদ এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি ইয়াকুব হোসেন আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) শাহাব উদ্দিন আহামদ। তিনি জানান, রায়ে ন্যায়বিচার পেয়েছেন। এ রায়ের ফলে শিশু নির্যাতন কমবে। গত ৯ এপ্রিল এ মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের দিন ধার্য করা হয়। এ মামলায় ১৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ৮জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বেঞ্চ সহকারি দেলোয়ার হোসেন জানান, ঘটনার সময় মামলার আসামি অপ্রাপ্তবয়স্ক থাকায় আদালত তাকে ৭ বছরের আটক আদেশ দিয়েছেন। সে কারাগারে অন্যান্য বন্দীদের মত সাজা ভোগ করবে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত ২০১৩ সালের ৪ অক্টোবর বিকেলে ফুলগাজী পরিষদ ভবনের নিচতলার একটি নির্জন কক্ষে ১০ বছর বয়সী এক শিশুকে যৌন নিপীড়ন করে উপজেলার বিজয়পুর গ্রামের মৃত ভুলু মিয়ার ছেলে ইয়াকুব (৩০)। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর মা তাকে আসামি করে ফুলগাজী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। মামলার তদন্ত করেন ফুলগাজী থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল ওহাব সরকার। তিনি ২০১৩ সালের ৩১ অক্টোবর ইয়াকুব হোসেনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট জমা দেন। ২০২২ সালের ৩১ জুলাই নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের তৎকালীন বিচারক মোহাম্মদ ওসমান হায়দার চার্জ গঠন করে সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেন। ইয়াকুব আদালত থেকে জামিন নিয়ে দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন।
