ফেনীতে শেষ হয়েছে প্রাথমিকে বৃত্তি পরীক্ষা। গতকাল শনিবার (১৮ এপ্রিল) বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচিতি এবং বিজ্ঞান বিষয়ে পরীক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে শেষ হল ৪দিন ব্যাপী এ পরীক্ষার। ফেনীতে বৃত্তি পরীক্ষার ৫ হাজার ৩৪৭ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে অনুপস্থিত ছিল ১ হাজার ৫৯২ জন যা মোট পরীক্ষার্থীর প্রায় ৩০ শতাংশ, যাদের মধ্যে ৬৪৭ জন ছাত্র ও ৯৪৫ ছাত্রী।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, শেষ দিনের পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ৩ হাজার ৭৫৫জন পরীক্ষার্থী, যাদের মধ্যে ১ হাজার ৪৩৫ জন ছাত্র ও ২ হাজার ৩২০জন ছাত্রী। অভিভাবকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, শহরের তুলনায় গ্রামের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা তেমন একটা ভাল হয়নি। কারণ হিসেবে অভিভাবকরা বলছেন, ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তির সাড়ে চার মাস পর পড়াশোনার চাপে ৫ম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষায় তারা তেমন মনযোগ দিতে পারেনি।
এ ব্যাপারে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার হৃষীকেশ শীল জানান, সুষ্ঠ পরিবেশে পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়েছে। পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিল ১ হাজার ৫৯২ জন পরীক্ষার্থী। উত্তরপত্র মূল্যায়নের জন্য চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ে পাঠানো হবে। সেখান থেকে উত্তরপত্র মূল্যায়নের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আইনি জটিলতায় ২০২৫ সালে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। পরে চলতি বছরের ১৫ এপ্রিল থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত পরীক্ষা গ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। এতে পঞ্চম শ্রেণির সিলেবাসের ওপর ভিত্তি করে সকাল ১০ টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান, এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়—এই ৫টি বিষয়ে মোট ৪০০ নম্বরের পরীক্ষা নেওয়া হবে। এতে অংশ নিচ্ছে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা।
এর আগে গত মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) সারাদেশে একযোগে এ পরীক্ষা শুরু করা হয়।
