ফেনী    রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩
দৈনিক ফেনী
ট্রেনে কক্সবাজার যেতে টিকিট যেন ‘দুষ্প্রাপ্য’

ট্রেনে কক্সবাজার যেতে টিকিট যেন ‘দুষ্প্রাপ্য’

আগামী ২৬ অক্টোবর থেকে ঢাকা-কক্সবাজার রুটে চলাচল শুরু করছে মহানগর এক্সপ্রেস। ট্রেনটিতে ফেনী স্টেশন থেকে কক্সবাজার যাওয়ার জন্য আসন বরাদ্দ রয়েছে ৪৭টি। তবে টিকিট কাটতে গিয়ে আসন না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন স্থানীয় যাত্রীরা। তাদের দাবি, অনলাইনে টিকিট ছাড়ার অল্প সময়ের মধ্যেই আসন শেষ হয়ে যাচ্ছে। ফলে নতুন ট্রেন চালুর পরও ফেনীর যাত্রীরা কতটা সুবিধা পাবেন, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।ফেনী রেলওয়ে স্টেশন সূত্রে জানা গেছে, মহানগর এক্সপ্রেসে ফেনী স্টেশন থেকে যাত্রার জন্য মোট ৬২টি আসন বরাদ্দ রয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রামগামী যাত্রীদের জন্য ১৫টি এবং কক্সবাজারগামী যাত্রীদের জন্য ৪৭টি আসন। কক্সবাজারগামী আসনের মধ্যে ১৫টি এসি (স্নিগ্ধা), ৩০টি নন-এসি (শোভন চেয়ার) ও ২টি কেবিনের আসন।যাত্রীদের অভিযোগ, অনলাইনে প্রথম দিনের যাত্রার টিকিট ছাড়ার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই আসন শেষ হয়ে যায়। ফলে ফেনী থেকে সরাসরি কক্সবাজার যাওয়ার সুযোগ তৈরি হলেও সাধারণ যাত্রীরা টিকিট পাবেন কি না, তা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে অনলাইন টিকিট বিক্রিতে বৈষম্য ও টিকিট কালোবাজারির অভিযোগও তুলছেন তারা।ফেনী জংশন স্টেশনের নিয়মিত যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ঢাকা-কক্সবাজার রুটে কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেস চালুর পর থেকেই ফেনীর মানুষের দাবি ছিল, ট্রেন দুটির যাত্রাবিরতি দেওয়া হোক। মহানগর এক্সপ্রেসের রুট সম্প্রসারণের ফলে সেই দাবি পূরণের সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে টিকিটপ্রাপ্তি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে।অনিক বণিক নামে এক যাত্রী বলেন, ফেনী স্টেশনের জন্য আন্তনগর ট্রেনের আসন বরাদ্দ এমনিতেই কম। তার ওপর অনলাইন টিকিটিং পার্টনার ‘সহজ ডটকম’ এর সার্ভারে টিকিট ছাড়ার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই আসন উধাও হয়ে যায়। এতে ফেনীর সাধারণ মানুষের পক্ষে অনলাইনে টিকিট কেটে কক্সবাজার যাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়াবে। টিকেট নিয়ে সিন্ডিকেট ও কালোবাজারি বন্ধ করতে না পারলে এ সংকট সমাধান সম্ভব হবে না।ফেনী শহরের বাসিন্দা মো. রাকিব হাসান বলেন, কক্সবাজার যাওয়ার জন্য মহানগর এক্সপ্রেসের টিকিটের অপেক্ষায় ছিলাম। টিকিট কাটতে গিয়ে দেখি, ফেনী স্টেশন থেকে যাত্রার টিকিট পাওয়া যাচ্ছে না। নতুন করে যাত্রাবিরতি চালু হওয়ার খবরে আমরা আশাবাদী হয়েছিলাম। কিন্তু টিকিট না পেয়ে হতাশ হয়েছি। টিকিট বিক্রির ক্ষেত্রে সাধারণ যাত্রীরা যেন বঞ্চিত না হন, সেই বিষয়টি রেলওয়েকে নিশ্চিত করতে হবে।ওয়াহিদুল ইসলাম নামে আরেকজন বলেন, ফেনী থেকে সরাসরি ট্রেনে কক্সবাজার যাওয়ার সুযোগ তৈরি হওয়ায় ভালো লাগছিল। কিন্তু টিকিট কাটতে গিয়ে হতাশ হতে হয়েছে। অনলাইনে টিকিট ছাড়ার পর এত দ্রুত টিকিট না পাওয়া গেলে সাধারণ যাত্রীরা কীভাবে টিকিট পাবেন? বিষয়টি রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের গুরুত্বের সঙ্গে দেখা উচিত।এ ব্যাপারে ফেনী রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার মো. হারুন দৈনিক ফেনীকে বলেন, এই ট্রেনে ফেনীর যাত্রীদের জন্য সর্বমোট ৬২টি আসন বরাদ্দ রয়েছে। তার মধ্যে চট্টগ্রামের জন্য ১৫টি ও কক্সবাজারের জন্য ৪৭টি আসন রয়েছে। কক্সবাজারগামী আসনের মধ্যে ১৫টি এসি, ৩০টি নন-এসি ও ২টি কেবিন রয়েছে।টিকিট কালোবাজারি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, স্টেশনের কাউন্টারে টিকিট নিয়ে কোনো সিন্ডিকেট বা অনিয়মের সুযোগ নেই। আর অনলাইনে টিকিটের বিষয় আমাদের আওতায় নেই, সেজন্য এ নিয়ে আমাদের কোনো নিয়ন্ত্রণও নেই। ২৬ অক্টোবরের ট্রেন যাত্রার ৭টি টিকিট স্টেশনের কাউন্টার থেকে কাটা হয়েছে। অন্যগুলো অনলাইন থেকে কাটা হয়েছে।
১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২৩ এএম



ফেনী নদীতে জব্দ ৫ হাজার মিটার জাল

মা ইলিশ রক্ষায় ফেনী নদীতে অভিযান চালিয়ে প্রায় পাঁচ হাজার মিটার অবৈধ বেহুন্দি ও চরঘেরা জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ধ্বংস করেছে উপজেলা মৎস্য বিভাগ। শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন সংক্রান্ত উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটির সদস্যসচিব ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তাছলিমা আকতারের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা বিজয় কুমার পাল জানান, অভিযানে নদী থেকে প্রায় পাঁচ হাজার মিটার অবৈধ বেহুন্দি ও চরঘেরা জাল জব্দ করা হয়। পরে জব্দ করা জাল প্রকাশ্যে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তাছলিমা আকতার বলেন, নিষেধাজ্ঞার সময়ে নিয়মিত টহল এবং অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। জেলেদের সচেতন করতে সতর্কতা প্রচারণা চলছে এবং জেলেদের খাদ্য সহায়তাও দেওয়া হচ্ছে ।মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, মা ইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন করতে গত ৮ অক্টোবর থেকে আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন ফেনী নদী ও নদীর মোহনায় ইলিশসহ সব ধরনের মাছ আহরণ নিষিদ্ধ রয়েছে। এ সময়ে ইলিশ ধরা, পরিবহন, মজুত ও বিক্রির ওপরও নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রয়েছে। মা ইলিশ সংরক্ষণে নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে নদী ও মোহনায় এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

ফেনী নদীতে জব্দ ৫ হাজার মিটার জাল
১৭ মে ২০২৬, ০৪:৩০ পিএম
অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলে কর আরোপের পরিকল্পনা করছে সরকার। এই সিদ্ধান্ত যৌক্তিক বলে মনে করেন?

অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলে কর আরোপের পরিকল্পনা করছে সরকার। এই সিদ্ধান্ত যৌক্তিক বলে মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ২ জন