ফেনী জেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত ৯৯ জন ঈদের পর যোগদান করবেন। কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষ হলে তাঁদের বিভিন্ন উপজেলায় পদায়ন করা হবে বলে জানিয়েছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস।
সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফরিদ উদ্দিন আহাম্মদ বলেন, সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষায় ৬ হাজার ৫৭৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪৯৯ জন উত্তীর্ণ হন। পরে মৌখিক পরীক্ষা শেষে তাঁদের মধ্য থেকে ৯৯ জনকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়েছে।কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষ হলে তাঁদের বিভিন্ন উপজেলায় পদায়ন করা হবে।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ফেনী জেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে সহকারী শিক্ষকের ৯২টি পদ শূন্য রয়েছে। এর মধ্যে ফেনী সদর উপজেলায় ১৭টি, দাগনভূঞা উপজেলায় ১৬টি, সোনাগাজী উপজেলায় ৩১টি, ছাগলনাইয়া উপজেলায় ১৪টি, ফুলগাজী উপজেলায় ১২টি এবং পরশুরাম উপজেলায় ২টি পদ শূন্য রয়েছে। এর মধ্যে সোনাগাজীতে শূন্য পদ সবচেয়ে বেশি এবং পরশুরামে সবচেয়ে কম।
নির্বাচিত প্রার্থীদের সিভিল সার্জনের কাছ থেকে স্বাস্থ্যগত সনদ এবং ডোপ টেস্টের প্রতিবেদন সংগ্রহ করে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে জমা দিতে বলা হয়েছে। স্বাস্থ্যগত সনদে ‘নিয়োগযোগ্য নয়’ উল্লেখ থাকলে তাঁরা সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ পাবেন না।
এ ছাড়া আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ মার্চের মধ্যে নির্বাচিত প্রার্থীরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাইয়ের জন্য মূল সনদপত্রসহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে জমা দিয়েছে। একই সঙ্গে পুলিশ ভেরিফিকেশন প্রতিবেদনও জমা দিতে হবে। কোনো প্রার্থীর পুলিশ প্রতিবেদন সন্তোষজনক না হলে তাঁকে নিয়োগের জন্য অনুপযুক্ত বিবেচনা করা হবে।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে আরও জানা গেছে, গত ৯ জানুয়ারি ফেনীর ১০টি কেন্দ্রে লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেন ৬ হাজার ৫৭৪ জন পরীক্ষার্থী। এ পরীক্ষায় অংশ নিতে আবেদন করেছিলেন ৮ হাজার ৪২৯ জন। তবে ১ হাজার ৮৫৪ জন পরীক্ষার্থী উপস্থিত হননি। পরীক্ষার হলে মোবাইল ফোন সঙ্গে আনায় এক পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়।
