বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কী অপরাধ


আজ শুক্রবার (১২ আগস্ট) বিকাল সাড়ে তিনটায় ফেনী শহরে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সমর্থিতদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। প্রায় আধ ঘন্টাব্যাপী হামলা পাল্টা হামলার পর পুলিশ ও রাজনৈতিক দলগুলোর সদিচ্ছায় ট্রাংক রোড ও শহীদ শহীদুল্লা কায়সার সড়কে স্বাভাবিক যান চলাচল শুরু হয়। কিন্তু সংঘর্ষের ক্ষতচিহ্ন রয়ে যায় একাদিক বাণিজ্যিক দপ্তরের কাঁচ ভাঙ্গা জানালায়।

সংঘর্ষস্থল ঘুরে দেখা গেছে, শহরের শহীদ শহীদুল্লা কায়সার সড়কের মেঘনা ব্যাংক, যমুনা ব্যাংক, সাউথ ইস্ট ব্যাংক, শাহ আলম টাওয়ার, হোটেল গার্ডেন ইনসহ আরো বেশ কয়েকটি দোকান-পাট হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ক্ষতি সম্পর্কে প্রতিষ্ঠানগুলোর কারোরোই কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শহীদ শহীদুল্লা কায়সার সড়কের এক ব্যবসায়ী আতঙ্ক নিয়ে বলেন, সংঘর্ষের সাথে দোকান বন্ধ না করলে আমার বিপুল পরিমাণ ক্ষতি হতে পারত।

বিএনপি সূত্র দাবী করে আওয়ামী লীগ সমর্থিত লোকজনের হামলায় ব্যবসায়ীদের এ ক্ষতি হয়েছে। তারা সব সময় এমনটা করে। আওয়ামী লীগের লোকজন সাধারণ জনগণের কথা চিন্তা করে না। তারা এটাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করে বিএনপির লোকজনকে দোষারোপ করবে।

তবে এমন বক্তব্যের প্রেক্ষিতে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তোফায়েল আহমেদ তপু বলেন, আওয়ামী লীগ সমর্থিতরা কারোর ওপর হামলা করেনি। ছাত্রলীগ শান্তিপূর্ণ মিছিল করে ফিরছিল। এসময় বিএনপির লোকজন শহীদ শহীদুল্লা কায়সার সড়কের বিভিন্ন দোকানে ইট-পাটকেলে নিক্ষেপ করে ভাংচুর চালায়। তারা গুলিও নিক্ষেপ করে। এ সময় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষায় বিএনপির সন্ত্রাসীদের প্রতিরোধ করে।

মন্তব্যসমূহ

আপনার মূল্যবান মতামত প্রদান করুন

    কোনো মন্তব্য খুঁজে পাওয়া যায় নি

মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।