'শিশুদের বুদ্ধিভিত্তিক বিকাশ প্রয়োজন'


জেলা প্রশাসক মো. ওয়াহিদুজজামান বলেছেন, শিশুদের বুদ্ধিভিত্তিক বিকাশ প্রয়োজন। এজন্য অভিভাবকদের ভূমিকা রাখা প্রয়োজন। তিনি বলেন, মা-বাবারা সন্তানদের বুদ্ধিভিত্তিক কাজে উৎসাহ দিতে হবে। তাদেরকে সময় দিতে হবে। তাহলেই আমরা নিজেদের সমৃদ্ধ করতে পারব।

আজ মঙ্গলবার (১৬ মার্চ) বিকালে মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষ্যে জেলা প্রশাসনের বিশেষ উদ্যোগে আয়োজিত ছড়া কবিতার ভুবন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক এসব কথা বলেন।

বাংলা ভাষা শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে মো. ওয়াহিদুজজামান বলেন, বাংলাকে বুঝা ও বাংলাকে জানা আমাদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। সবাইকে বাংলা ব্যাকরণের চর্চা করতে হবে।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সুজন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক ড. মােহাম্মদ মঞ্জুরুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন খ্যাতিমান শিশু সাহিত্যিক ও কবি আসলাম সানী, আনজীর লিটন এবং মামুন সারওয়ার।

ড. মােহাম্মদ মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীর পড়ার সাথে সাথে কল্পনা করতে হবে। নিজের মাঝে ভাবতে হবে। কবির কথায় মিশতে হবে। তাহলেই কবির লেখা সার্থক হবে।

বক্তব্যে শিশু শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে কবি আসলাম সানী বলেন, বড় হতে হলে অভিবাবকদের মানতে হবে। দেশ ও জাতির স্বপ্নকে এগিয়ে নিয়ে যেতে কাজ করতে হবে।
এসময় করোনা পরিস্থিতি বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করে শিক্ষার্থীদের সচেতন থাকতে আহবান জানান বাংলা একাডেমীর পুরুস্কার প্রাপ্ত এ কবি।

এমন ব্যতিক্রমী আয়োজনের প্রশংসা করে খ্যাতিমান শিশুসাহিত্যিক আনজীর লিটন বলেন, এ আয়োজনের জন্য জেলা প্রশাসকের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ। এমন আয়োজন দেশের কোথাও কখনও দেখিনি।

কবিতা পাঠের গুরুত্বের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, কবিতার ভুবন চিন্তা শক্তিকে বাড়িয়ে দেয়। দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে। দেশকে ভালোবাসতে শিখায়। এতেই একজন শিশু সু-নাগরিক হয়ে গড়ে উঠবে। অভিবাবকদের উদ্দেশ্যে আনজীর লিটন বলেন, বাবা-মায়েদের সন্তানের হাতে বই তুলে দিতে হবে। তাদের বইমুখী করতে হবে। বই কল্পনাশক্তি বাড়িয়ে দেয়। এজন্য অভিবাবকদের ভূমিকা রাখা এবং সচেতন হতে হবে।

ছোটদের সময়ের সম্পাদক ও শিশুসাহিত্যক মামুন সারওয়ার বলেন, যারা বড়দের শ্রদ্ধা ও ছোটদের স্নেহ করেছেন তাদের পৃথিবীটাই সুন্দর হয়েছে। শিক্ষার্থীরা সবসময় পিতামাতার কথা শুনবে। আগামীতে সমাজের নেতৃত্ব দিবে তোমরাই।

ছড়ি কবিতার ছন্দে দুলে শিশুর কচি মন স্লোগানে শিশু নিকেতন কালেক্টরেট স্কুলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্যসমূহ

আপনার মূল্যবান মতামত প্রদান করুন

    কোনো মন্তব্য খুঁজে পাওয়া যায় নি

মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।